স্টেশন চত্বর এবং ট্রেনের ভিতর নোংরা করলেই এবার দ্বিগুণ জরিমানা দিতে হবে। এমনকি অনুমতি ছাড়া ট্রেনের মধ্যে এবং স্টেশনে যত্রতত্র পোস্টার সাঁটালেও তা অপরিচ্ছন্নতার অভিযোগে দুষ্ট হবে।

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: স্টেশন চত্বর এবং ট্রেনের ভিতর নোংরা করলেই এবার দ্বিগুণ জরিমানা দিতে হবে। এমনকি অনুমতি ছাড়া ট্রেনের মধ্যে এবং স্টেশনে যত্রতত্র পোস্টার সাঁটালেও তা অপরিচ্ছন্নতার অভিযোগে দুষ্ট হবে। একইভাবে নির্ধারিত স্থান ব্যতীত স্টেশন কিংবা ট্রেনের অন্যত্র স্নান, শৌচকর্মের মতো অভিযোগ পাওয়া গেলেও কড়া ব্যবস্থা নেবে রেলমন্ত্রক। এসংক্রান্ত জরিমানার পরিমাণ আগে ছিল ৫০০ টাকা। রেল তা দ্বিগুণ বাড়িয়ে এক হাজার টাকা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শুধু তাই নয়। যদি কোনো অভিযুক্ত জরিমানা দিতে না পারে, তাহলে তাকে রেলের নিয়ম মেনেই আদালতে পেশ করা হবে। সেক্ষেত্রে অভিযুক্ত রেল যাত্রীকে আরও দু’হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে। ইতিমধ্যেই এসংক্রান্ত বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করে দিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। দেশের প্রত্যেকটি রেলওয়ে জোন এবং ডিভিশনে তা কার্যকরও হয়ে গিয়েছে।
রেলমন্ত্রকের শীর্ষ সূত্রে জানানো হয়েছে যে, ট্রেনে সফরকারী কিংবা স্টেশনে আগত প্রত্যেক রেল যাত্রী এবং তাঁর আত্মীয়দের পিছনে ‘ম্যান মার্কিং’ করা সম্ভবই হবে না। এর ফলে স্টেশন কিংবা ট্রেন নোংরা করলেই বা ধরবে কে? সরকারি সূত্রে দাবি করা হয়েছে, আগামী মাসের গোড়াতেই দিল্লিতে এই ইস্যুতে বৈঠক হতে পারে। সাধারণত স্টেশন কিংবা ট্রেন নোংরা করার মতো অভিযোগ উঠলে এই ইস্যুতে জরিমানা আদায় করার ভার আরপিএফ, ভ্রাম্যমাণ টিকিট পরীক্ষক (টিটিই), স্টেশন মাস্টারদের উপরই বর্তায়। সংশ্লিষ্ট স্টেশন এবং ট্রেনের হাউস কিপিং স্টাফেরাও এব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানাতে পারেন। অপরিচ্ছন্ন ট্রেন কিংবা স্টেশন চত্বর নিয়ে অভিযোগ দীর্ঘদিনের। অমৃত ভারত প্রকল্পের মতো গালভরা কর্মসূচি হাতে নিলেও অধিকাংশ স্টেশনেই ন্যূনতম পরিচ্ছন্নতা এখনো গড়ে তোলা যায়নি।