১১ কেজি ওজন বেড়েছে, সন্তানের অপেক্ষায় সমান্থা! মাতৃত্ব উপভোগ করছেন? কী জানালেন অভিনেত্রী?

Spread the love

সমান্থা ও তাঁর স্বামী রাজ নিদিমুরু তাঁদের প্রথম সন্তানের অপেক্ষায় রয়েছেন। আপাতত মাতৃত্বকালীন ছুটিতে রয়েছেন অভিনেত্রী। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, বহু দিন ধরেই মা হতে চেয়েছেন তিনি।

সমান্থা ও তাঁর স্বামী রাজ নিদিমুরু তাঁদের প্রথম সন্তানের অপেক্ষায় রয়েছেন। আপাতত মাতৃত্বকালীন ছুটিতে রয়েছেন অভিনেত্রী। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, বহু দিন ধরেই মা হতে চেয়েছেন তিনি।

অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার সময়টা উপভোগ করছেন তেলুগু অভিনেত্রী সমান্থা রুথ প্রভু। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে ‘আস্ক মি এনিথিং’ পর্বে অনুরাগীদের নানা প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন অভিনেত্রী। পাশাপাশি, অনুরাগীদের মাতৃত্বের বিভিন্ন অভিজ্ঞতাও শুনেছেন তিনি।

এক অনুরাগী লিখেছিলেন, তাঁর ওজন বাড়ছে। উত্তরে নিজের একটি ছবি দিয়ে সমান্থা লিখেছেন, “আমিও বুঝতে পারছি। ইতিমধ্যেই ১১ কেজি বেড়ে গিয়েছে।” আর এক অনুরাগী সমান্থার সঙ্গে নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়ে লিখেছেন, এই সময়ে মেজাজ কেমন থাকে। তিনি লিখেছেন, “অনেক সময়ে একটা কথা বলা শুরু করি, কিন্তু শেষ পর্যন্ত কী বলতে চাইছি, নিজেই বুঝতে পারি না।” উত্তরে অভিনেত্রী লিখেছেন, তিনিও এই অবস্থাগুলি বুঝছেন। তাই আর সন্তানের আগমনের অপেক্ষা করতে পারছেন না।

আর এক নতুন মা তাঁর অভিজ্ঞতা জানিয়ে লিখেছেন, সারাদিন সন্তানকে খাওয়ানো, ঢেঁকুর তোলানো, কোলে নিয়ে দোলানো, একই কাজের পুনরাবৃত্তি করে চলেছেন। সমান্থা তাঁর কথার উত্তরে লিখেছেন, “শুনেই মনে হচ্ছে, এটা আসলে ২৪ ঘণ্টার চাকরি!”

মাতৃত্ব নিয়ে সমান্থার স্বীকারোক্তি, “ভাবিনি এই পুরো বিষয়টার জন্য আমার নিজেকে এতটা ক্ষমতাশালী মনে হবে। আগে ভেবেছিলাম, বেশির ভাগ সময়েই হয়তো ভীষণ চাপে থাকব। কিন্তু তা হয়নি।” এক অনুরাগী সমান্থাকে সরাসরি প্রশ্ন করেন, “এই সময়টা কি উপভোগ করছেন?” অভিনেত্রীর উত্তর, “মন থেকে পুরোপুরি উপভোগ করছি।”

সমান্থা ও তাঁর স্বামী রাজ নিদিমুরু তাঁদের প্রথম সন্তানের অপেক্ষায় রয়েছেন। আপাতত মাতৃত্বকালীন ছুটিতে রয়েছেন অভিনেত্রী। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, বহু দিন ধরেই মা হতে চেয়েছেন তিনি।

অন্তঃসত্ত্বা অবস্থাতেও নিয়মিত জিমে শারীরচর্চা করছেন অভিনেত্রী। সম্প্রতি নিজের শারীরচর্চার ছবি ও ভিডিয়ো শেয়ার করে তিনি লিখেছেন, “এই সময়ে শারীরচর্চার ধরনটা একটু বদলে গিয়েছে। আরও জোর দেওয়ার বদলে এখন শরীরের কথা আরও মন দিয়ে শোনা জরুরি।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *